মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত; ফাঁসির দাবিতে উত্তাল সোশ্যাল দুনিয়া ।

বিশেষ প্রতিবেদন,

ইসলাম, নবী মোহম্মদ (সা:) ও পবিত্র কুরআনের সাথে চরম ধৃষ্টতা পূর্ণ আচরণ করেছে প্রবাসে অবস্থিত বাংলাদেশি নাগরিক বিতর্কিত ফেসবুকার সিফাত উল্লাহ সেফুদা।


এ নিয়ে ফেসবুকে নিন্দার ঝড় বইছে। দেশে এনে তার ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হচ্ছে পুরো সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।

ফেসবুক লাইভে এসে পবিত্র কুরআন হাতে নিয়ে পাতা ছিঁড়ে টয়লেটে নিক্ষেপ করে। তারপর পবিত্র কুরআনকে জুতা দিয়ে পিঠায়। ইসলাম ও নবী মোহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে লাথি মেরে পবিত্র কুরআন টয়লেটে ছুঁড়ে মারে।

মাহফুজ আব্বাছ নামের এক ফেইসবুকার স্ট্যাটাসে লিখেন, সিফাত উল্লাহ সেফুদা পৃথিবীর যে জায়গায় অবস্থান করুক না কেনো অনতিবিলম্বে এই কুলাজ্ঞারকে এমন শাস্তি প্রদান করা হোক যেটা দেখে পৃথিবীর যে কেউ ইসলাম/কুরআন/রাসূল (সঃ) সম্পর্কে কূরুচি পূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার আগে ভয়ে কেঁপে ওঠে।

সাইফুল ইসলাম নামের এক ফেইসবুকার লিখেন, নাউজুবিল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ,,,,
চাঁদপুরের সেফুদা এই কাফেরের বাচ্চা কিছুক্ষণ আগে লাইভে এসে কুরআন শরীফ ছিড়ে তারপর কমেডে ফেলছে,,

কুরআন শরিফে জুতা দিয়ে আঘাত করছে,,,,,এবং ইসলাম ধর্মকে অনেক অপমান করেছে,আলেমদের কে তো সবসময় গালি দেয়,,আজ তার চেয়ে ডাবল দিয়েছে ,,,,,, সবাই ওর ব্যাপারে ব্যাবস্থা নিন,,,,,,, তাকে সরকারের প্রশাসনের মাধ্যমে দেশে এনে জুতা পিটা করতে করতে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেওয়া হউক।

আ‌রেকজন লিখেন, সেফাতুল্লাহ সেফুদা না‌মের এই কুত্তার কি কোন বিচার হ‌বেনা? অাজ নি‌জের চো‌খে ভি‌ডিও‌তে দেখলাম প‌বিত্র কোরা‌নের পাতা ছি‌ড়ে টয়‌লে‌টের মধ্য ফেল‌ছে অার অশ্লীল ভা‌বে কাবা শরীফ‌কেও গালি দি‌চ্ছে।

এবার সে ইসলাম, নবী ও পবিত্র কোরআনকে নিয়ে গালাগালি করে লাইভ করেছে। অবিলম্বে তাকে দেশে এনে শাস্তির দাবি তুলছে তাই ফেসবুকবাসী।

এছাড়া সেফুর কমেন্ট বক্সে নিন্দার ঝড় চলছে। উল্লেখ্য, বিদেশে অবস্থিত এই সিফাত উল্লাহ সেফুদা বিভিন্ন ইস্যুতে ফেসবুক লাইভে গালিগালাজ লাইভ করেই আলোচনায় আসে।

আরো পড়ুন:

লাইভে কুরআন শরিফ ছিঁড়ে টয়লেটে নিক্ষেপ, চরম অবমাননা সেফাতুল্লাহ’র

পুরো নাম সেফাতুল্লা হলেও সেফুদা নামে তিনি বেশ পরিচিত। বিশেষ করে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নানা বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসেন এই প্রবাসী বাংলাদেশি।

তেমনই বরাবরের মতো বুধবারের নিজের ফেসবুক পেইজ থেকে লাইভে আসেন সেফাতুল্লা। সেখানে কথা বলেন সাফা কবিরের ইস্যুতে। লাইভে তিনি সাফা কবিরের বিপক্ষে কথা বলেছেন এমন, বিশেষ করে মুসলমানদের গালি গালাজ করেন।

লাইভ চলাকালীন এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কুরআনকে ছিঁড়ে পেলেন এবং তা টয়লেটে নিক্ষেপ করেন।

এছাড়া সেফাতুল্লাকে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা শেখ হাসিনাকে অশ্রবণীয় ভাষায় গালি দিয়ে শোনা যায়। সেফাতুল্লা তার লাইভ শেষে বলেন, তোরা যদি আবার সাফাকে গালি দিস তবে একই কাজ আবার করবো।

Advertisements

কেমন কাটে প্রবাস জীবন? প্রবাস জীবন কি কষ্টের না দুঃখের?

Rakib hassan

18th March 2019

https://rakibhassanonline.wordpress.com

  • প্রবাসীদের জীবন কেমন কাটে? এ প্রশ্নটা অনেকেরই। কারও কারও রয়েছে বিশেষ কৌতূহল। অন্তত যাঁরা প্রবাসী নন। কৌতূহলটা তাঁদেরই বেশি যাঁদের স্বজনেরা প্রবাসী। আমজনতার আগ্রহ যে নেই, তা নয়। তা ক্ষেত্রবিশেষে। তাঁদেরও কৌতূহল হয়, যখন কোনো প্রবাসী হয়ে ওঠে সেলিব্রেটি।

আমরা বাঙালি #প্রবাসীরা কেমন আছি? ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বললে কীভাবে কাটছে আমাদের জীবন? দেশের অস্থিতিশীল গুমোট রাজনৈতিক পরিবেশের বাইরে থেকে আমরা কী খুব ভালো আছি? দেশ ও স্বজনদের দূরে রেখে আমাদের প্রবাসজীবন কী খুব স্বস্তিতে কাটছে? নাকি সোনার হরিণের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে আমরাও ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। এই প্রশ্নগুলো করার পেছনে অন্য কোনো অযাচিত উদ্দেশ্য নেই। সুখ-দুঃখ আর কষ্টের অনুভূতিগুলো বলার প্রয়াসমাত্র। কারণ, কারও কাছে যাপিত জীবন বড্ড বেশি অহংকারী। কারও কাছে বেঁচে থাকাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। হোক না সে প্রবাসী কিংবা অন্য কেউ? ব্রিটেনে প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি থেকেই আজকের এই লেখা।
প্রবাস মানেই কি নিঃসঙ্গতা? একাকিত্ব? নাকি প্রবাস মানেই হাড়ভাঙা পরিশ্রম। কেমন কাটে প্রবাসজীবন? কেউ বলে মলিন নয়তো ফ্যাকাশে। কেউ বলে পানসে। কারও কাছে রোমাঞ্চকর, অতিমাত্রায় স্বাধীনতা। কারও কাছে জীবনের সোনালি অধ্যায়ের যাত্রা শুরু। কেউ ভাবছে, এই তো চলছি সোনার হরিণের পেছনে। আবার কেউ ফেলে দীর্ঘনিঃশ্বাস। যেন কোনো এক নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত। এই ভিন্ন ভিন্ন ভাবনাগুলো তাদের, যারা প্রবাসী। তবে পুরো বিষয়টাই নির্ভর করছে ব্যক্তিবিশেষের ওপর। ব্যক্তিজীবনের দৃষ্টিভঙ্গি ও তার মানসিকতার ওপর। যাপিত জীবনের স্টাইল, কাজকর্মের শ্রেণিভেদ, পারিবারিক ঐতিহ্য ও রুচিবোধের ওপর।
আর যাঁরা প্রবাসী নন, তাঁদের ধারণাটা কেমন প্রবাসীদের সম্পর্কে? এটা আমার পক্ষে বলা মুশকিল হলেও কিছুটা তো উপলব্ধি করতে পারি। তাই বলছি। যত দূর উপলব্ধি করেছি, প্রবাসী সম্পর্কে অপ্রবাসীদের ধারণা পুরোটাই অর্থকেন্দ্রিক। অর্থাৎ, প্রবাসী মানে অঢেল অর্থ উপার্জনের কারিগর। স্বজনেরা অন্তত ওই একটি বিষয়ে পরোপুরি সজাগ। প্রবাসী মানে, থাকবে অর্থিক সচ্ছলতা। এই ধারণাটা মোটেই ভুল নয়। কিংবা নতুন কিছু নয়। এটা তো ঠিক বাংলাদেশের সমৃদ্ধ অর্থনীতির চাকা ঘোরানোর চাবিকাঠি তো দীর্ঘকাল ধরেই প্রবাসীদের নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশ ব্যাংক বছর ঘুরে গুনছে হাজার কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা! তাই বুঝতে কারও কষ্ট হয় না, প্রবাসী মানে হাড়ভাঙা পরিশ্রমী একদল খেটে খাওয়া মানুষ।
প্রবাসীদের রকমফের আছে। এই রকমফের অবশ্য অঞ্চলভিত্তিক। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবাসীদের যাত্রা ভিন্ন ভিন্ন কারণে। কেউ আসছে অর্থ উপার্জনের জন্য। এদের অনেকেই দক্ষ। কেউ অদক্ষ। কেউ আসছে উচ্চশিক্ষার্থে। এদের কেউ দীর্ঘমেয়াদি। আবার কেউ স্বল্প সময়ের জন্য। উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন এদের সবাই প্রবাসী। সবাই চলছে ওই সোনার হরিণের পেছনেই৷ স্বজনদের নিয়ে যদি কিছুটা ভালো থাকা যায়।

হোক না দক্ষ কিংবা অদক্ষ। স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী। অথবা কোনো বিশেষ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। আমরা প্রবাসীরা সবাই তো বাঙালি। বিদেশে আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাঙালি।

Contact me:+601124779206/wapp

Parvin died trying to save her husband Deceased Husne Ara Parvin.

  1. Collected

Star Online Report
A woman of Bangladesh origin who was killed in shooting at a mosque in New Zealand’s Christchurch reportedly received bullets while trying to save her husband, family says.

  • Deceased Husne Ara Parvin, 42, hailed from Golapganj upazila in Sylhet and was married to Farid
  • Uddin Ahmed of Bishwanath upazila, our Sylhet correspondent reports.

They settled in New Zealand sometime after 1994, said her nephew Mahfuz Chowdhury.

Farid Uddin had been physically sick for years and was confined to a wheelchair. Parvin, like every other Fridays, took her husband to the mosque around one and a half hours before the horror unfolded, he said.

Leaving her husband to the mosque for men, Parvin went to the other mosque meant for women to offer her prayers.

As all hell broke loose at the mosque where her husband was, she rushed to the scene and caught in the line of fire, Mahfuz said quoting his relatives in New Zealand.

However, her husband survived the attack as other devotees managed to wheel him out of the mosque.

Mahfuz Chowdhury said: “We came to know about the attack and Parvin aunt’s death around an hour later as Hima Begum (another aunt) called us from New Zealand”.

Three persons of Bangladesh origin have been confirmed dead so far and four others injured in the Christchurch mosque shooting in New Zealand today.

From what could be learned, the deceased have been living in Christchurch for quite some time now.

The incident left 49 people killed and scores of others injured as a gunman launched attacks at two mosques during the Friday Jummah prayers.